কুণাল ঘোষের তীক্ষ্ণ টীকা: “সুদীপের দিদি বাড়ি পাঠালেন, আর নিজে দিল্লির বিজেপি দরবারে ‘বিচিত্র পরচুলো’”
রাজনীতি১৫ জুন, ২০২৬১ মিনিট পড়ুন

কুণাল ঘোষের তীক্ষ্ণ টীকা: “সুদীপের দিদি বাড়ি পাঠালেন, আর নিজে দিল্লির বিজেপি দরবারে ‘বিচিত্র পরচুলো’”

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

কুণাল ঘোষের তীক্ষ্ণ মন্তব্যে সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিদি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেন, আর নিজেরা দিল্লির বিজেপি দরবারে ‘বিচিত্র পরচুলো’ নিয়ে গর্ব করায় দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ তোলেন।

প্রাক্তন বিধায়ক ও বিজেপি নেতা কুণাল ঘোষের আজকের মন্তব্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিল। তিনি টেলিভিশনে টিএমসি জ্যেষ্ঠ নেতা সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিদি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেন, আর নিজেরা দিল্লির বিজেপি দরবারে ‘বিচিত্র পরচুলো’ নিয়ে গর্ব করে চলছিলেন—এটি তিনি “দ্বৈত মানদণ্ডের স্পষ্ট উদাহরণ” বলে নিন্দা করেন।

ঘোষের কথায় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “সিআইডি হানার দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি যাওয়া নিয়ে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফাই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে কোথাও যাব না।” মূলত, তিনি এই যুক্তি টেনে ধরতে চেয়েছেন যে সুদীপ্তের পরিবারিক বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপের সময় নিজেরা রাজনৈতিক মঞ্চে হাই-প্রোফাইল উপস্থিতি বজায় রাখছেন।

সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি কলকাতা সেন্ট্রাল থেকে টিএমসি পার্টির প্রতিনিধি, তার দিদি নয়না সম্প্রতি পারিবারিক বিতর্কে জড়িয়ে গিয়েছিলেন। তাছাড়া, কুণাল ঘোষের উল্লেখযোগ্য মন্তব্যে তিনি দিল্লি ভ্রমণকালে বিজেপির উচ্চপদস্থ নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন, যেখানে “বিচিত্র পরচুলো” হিসেবে তিনি তার রঙিন স্যুট ও গয়না উল্লেখ করেন, যা মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

এই মন্তব্যের পর টিএমসি নেতারা তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কুণাল ঘোষের কথাকে “অবমাননাকর ও ভিত্তিহীন” বলে খণ্ডন করে। টিএমসি মুখপাত্র বলেন, সুদীপ্তের ব্যক্তিগত বিষয়ের ওপর আক্রমণ করা কোনো রাজনৈতিক নীতি নয়, বরং ব্যক্তিগত বিদ্বেষের দিক। সামাজিক মিডিয়ায় উভয় পক্ষের সমর্থকরা তীব্র তর্কে লিপ্ত, যার ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

উপসংহারে বলা যায়, কুণাল ঘোষের এই তীক্ষ্ণ টীকায় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন মাত্রা দেখা যাচ্ছে। পারিবারিক বিষয়কে ব্যবহার করে বিরোধী পার্টির নেতাদের সমালোচনা করা ঐতিহ্যবাহী রাজনীতির একটি অংশ, তবে এ ধরনের মন্তব্য নির্বাচনী মঞ্চে প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিতর্ক কীভাবে বিকশিত হবে, তা গমনীয়তা এবং ভোটারদের ধারনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX