ভবানীপুরের ভোট গণনা মামলায় হাইকোর্টের বড় নির্দেশ, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত
রাজনীতি13 ঘণ্টা আগে১ মিনিট পড়ুন

ভবানীপুরের ভোট গণনা মামলায় হাইকোর্টের বড় নির্দেশ, গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

কলকাতা হাইকোর্ট ভবানীপুরের ভোট গণনা মামলায় বিশেষ নির্দেশ জারি করেছে, ভোটধারীদের তথ্যের প্রবেশাধিকার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে। আদালতের আদেশে পোলিং স্টেশনের রেকর্ডের অনলাইন প্রকাশ ও স্বাধীন ত্রৈমাসিক পর্যালোচনা কমিটি গঠন অন্তর্ভুক্ত।

কলকাতা হাইকোর্টের অর্ধ-সপ্তাহের বিচ্যুতি পরবর্তী শুনানিতে ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা সংক্রান্ত মামলায় একসঙ্গে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নির্বাচনের পরপরই গণনায় অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়ে আদালতে দাখিল হওয়া মামলায় বিচারক শ্রীমতি নন্দিনী দাস, শীঘ্রই গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশ জারি করেছেন। তিনি ভোটধারী তালিকা, পোলিং স্টেশনের রেকর্ড ও গণনা শীটের কপি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশের আদেশ দেন, যাতে নাগরিক ও রাজনৈতিক দল দুজনেই তথ্যের প্রবেশাধিকার পায়।

মামলার মূল দাবি হল, কিছু পোলিং স্টেশন থেকে ভোটের সংখ্যা বাড়িয়ে বা কমিয়ে গণনা করা হয়েছে, যা ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত এই অভিযোগকে গম্ভীরতা দিয়ে দেখিয়ে, সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারকে ৭ দিনের মধ্যে সমস্ত প্রমাণাদি সংগ্রহ করে হাইকোর্টে জমা দিতে নির্দেশ দেন। তাছাড়া, হাইকোর্টের আদেশে একটি স্বাধীন ত্রৈমাসিক পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হবে, যার সদস্য হিসেবে বিচারিক, প্রশাসনিক ও সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়। বিরোধী দলগুলো এখন ইতিমধ্যে আদালতের আদেশ মেনে চলার দাবি জানিয়ে, ভোটের ফলাফলকে ন্যায়সঙ্গত বলে স্বীকার করতে প্রস্তুত। অন্যদিকে, সশস্ত্র দলগুলোও এই পদক্ষেপকে গণতন্ত্রের প্রতি একটি সঙ্কেত হিসেবে বিবেচনা করে, ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম পুনরায় না ঘটার জন্য আইন প্রয়োগে কঠোরতা বজায় রাখতে আহ্বান জানায়।

অবশেষে, হাইকোর্টের এই কঠোর নির্দেশনা শুধুমাত্র ভবানীপুরের ভোট গণনা নয়, পুরো রাজ্যের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও এই আদেশ অনুসারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যাতে ভোটদাতাদের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হয় এবং গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড মজবুত থাকে।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX